September 8, 2026

জ্ঞান, সংলাপ ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে হবে

0
du2-20260908211130.jpg


জ্ঞান, সংলাপ ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তিনি জ্ঞান, সংলাপ ও উচ্চশিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, প্রমাণ-ভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে দেশে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গবেষকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের হিট প্রজেক্টের আওতায় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসি ল্যাব এ সম্মেলন আয়োজন করে।

হিট প্রজেক্টের সদস্য ড. ইভা সাদিয়া সা’দ-এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এর আগে সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন। বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

jagonews24

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, সহিংস চরমপন্থা শুধু একটি নিরাপত্তা সমস্যা নয়, বরং এটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অন্তরায়। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের সামাজিক বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখে। আমরা তারুণ্যের শক্তি, বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং অসাধারণ বৈচিত্র্যে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি জাতি।

তিনি বলেন, অন্যায়, অবিচার ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো রক্ষা করতে হবে। স্লোগানের পরিবর্তে সতর্ক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রতিক্রিয়াগুলো হওয়া উচিত। আমাদের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই বিচক্ষণ, মানবিক এবং প্রমাণ-ভিত্তিক হতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণ সমাজ, পরিবার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক এবং যারা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর জোর দিতে হবে।

উপাচার্য বলেন, বিপজ্জনক মতাদর্শগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলে- এমন কারণগুলোকে চিহ্নিত করা অপরিহার্য। একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গঠন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এই গবেষণা প্রকল্প সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আরটি/এমকেআর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *