September 5, 2026

বনানী এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ: পরিবহন চালকসহ গ্রেফতার ৩

0
arrest-mstwpusaofeualf-20260815110341-mtnuypjdhoezcm4-20260905100536.jpg


 

রাজধানীর বনানী এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী একটি পরিবহনের চালক সোহেল রানাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ ও র‍্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ডিএমপি গুলশান বিভাগের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে এ ঘটনায় ডিএমপির পক্ষ থেকে রোববার এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন বিস্তারিত জানাবেন বলে জানানো হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একটি সূত্র জানান, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে ওই বাসের চালক ও সহকারীও রয়েছেন, যে বাসে করে ইসমাইল ভ্রমণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- বাসচালক শোয়েল, চালকের সহকারী মনির ও সুপারভাইজার সাজু।

র‍্যাব-১ এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজ থেকে পরিচয় শনাক্ত করলে জানা যায়, ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে তিনি জামালপুর থেকে গাজীপুর ফিরছিলেন। পথে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনার পর জড়িতদের ধরতে র‍্যাব-১ এর আভিযানিক দল ছায়াতদন্ত শুরু করে । সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন আসামি বাস ড্রাইভার সোহেল রানাকে (৪০) বনানী থানাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসাপাতালের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া যৌথ অভিযান পরিচালনা করে অন্য দুই সন্দেহভাজন আসামি বাসের সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও বাসের হেলপার মনিরকে (১৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রাজ ক্লাসিক বাসটিও (রেজি নং: সিরাজগঞ্জ হ ১১-০০৮৫) জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারদের বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কেআর/এমকেআর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *