September 11, 2026

বিয়ের খবরে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে সন্তানসহ গৃহবধূ, এসেছেন স্বামীও

0
extanal-mtwqwhcyjlqd3b6-20260911152227.jpg


জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পরকীয়া প্রেমিকের অন্য জায়গায় বিয়ের খবর পেয়ে চার বছরের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক গৃহবধূ। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে এসেছেন তার স্বামীও।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে সিয়াম নামের ওই যুবক বিয়ে করতে গেলে ১০টার দিকে মামুদপুর ইউনিয়নের মিনিগাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামে তার বাড়ির ফটকের সামনে অবস্থান নেন ওই নারী। তার দাবি, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সিয়াম।

‎স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ওই নারী অবস্থান নেওয়ার পর সিয়ামের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে অন্য জায়গায় চলে যান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওই নারীকে তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে অবস্থান করতে দেখা যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য এমদাদুল হক হেলাল বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করছেন। তবে সিয়ামকে বিয়ে ছাড়া কোনো সমাধান মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ওই নারী।

ওই নারী মামুদপুর ইউনিয়নের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী। তার দাবি, প্রায় সাড়ে ছয় বছর ধরে শফিকুলের সঙ্গে তার সংসার চলছে। তাদের চার বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার স্বামী একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন।

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিয়াম হিন্দা এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি মিনিগাড়ি গ্রামে তার নানাবাড়িতে থাকেন। চৌমুহনী বাজারে তার একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সিয়াম আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছে। একপর্যায়ে সে আমার ঘরেও আসা-যাওয়া করত। একদিন এক প্রতিবেশী তাকে ঘরে দেখে ফেলে। তখন সিয়াম আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যায়। এরপরও সে আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক বজায় রাখে।’

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে জানতে পারি, সিয়াম কাপাশটিকরি গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ে করতে গেছে। এ খবর পেয়ে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রাত ১০টার দিকে তার বাড়িতে এসেছি। সিয়াম না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে যাব না। আমাকে বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করব।’

ওই নারীর অভিযোগের বিষয়ে সিয়ামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

‎ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুক্তারুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। ওই নারীর স্বামীও এখানে এসেছেন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. আল-কারিয়া চৌধুরী/এসআর/জেআইএম



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *