September 2, 2026

প্রেমিকের ব্যবসার জন্য স্বামীর কাছে স্ত্রীর টাকা দাবি, আদালতে মামলা

0
og_1788362799_6a98402f44d3f.jpeg


কথিত প্রেমিকের ব্যবসার জন্য চার লাখ টাকা দাবি ও তা না দেওয়ায় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রী, তার কথিত প্রেমিক ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে যৌতুকের মামলা করেছেন শামীম মিয়া নামে এক ব্যক্তি।

বুধবার (২ সেপ্টম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালতে এ মামলার আবেদন করেন ফার্মেসি ব্যবসায়ী শামীম মিয়া। পরে বাদীর জবানবন্দি শেষে আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কদমতলী থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। বাদীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম সবুজ।

মামলার আসামিরা হলেন- শামীমের স্ত্রী ফাতেমা তুজ জহুরা, তার কথিত প্রেমিক শেখ মো. ইমাম হোসাইন এবং শাশুড়ি শাহানাজ।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী এস এম সবুজ বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে কদমতলী থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে ফাতেমা তুজ জহুরার সঙ্গে শামীমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর শামীম জানতে পারেন, বিয়ের আগে ইমাম হোসাইনের সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্ক ছিল এবং বিয়ের পরও তাদের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।

শামীমের দাবি, ফার্মেসি ব্যবসা থেকে উপার্জিত টাকা তিনি বাসায় রাখতেন। ওই অর্থ থেকে তার স্ত্রী বিভিন্ন সময়ে ইমাম হোসাইন ও তার মাকে টাকা দিতেন। বিষয়টি জানতে পেরে শামীম টাকা দেওয়া বন্ধ করতে চাইলে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখতে তার স্ত্রী বিভিন্ন শর্ত দেন। এরপর নানা অজুহাতে তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হতে থাকে।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত দুই বছরে এভাবে প্রায় চার লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে তিনি ওই টাকা ফেরত চাইলে স্ত্রী তা ইমাম হোসাইন ও তার মাকে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ২০ আগস্ট রাতে ইমাম হোসাইনের ব্যবসার জন্য শামীমের কাছে আরও চার লাখ টাকা দাবি করেন স্ত্রী ফাতেমা ও তার মা শাহানাজ। শামীম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে খাটের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় স্ত্রী, তার কথিত প্রেমিক ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করেন শামীম মিয়া। আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কদমতলী থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।

এমডিএএ/এমএএইচ/



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *