September 9, 2026

হালান্ডদের মারামারি থামাতে নামতে হলো নিরাপত্তারক্ষীদের

0
og_1788923420_6aa0ce1c43bab.jpeg


চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটি ও পোর্তোর ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল মাঠ থেকে টানেল পর্যন্ত। প্রথমার্ধের শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাকর্মীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।

ঘটনার সূত্রপাত প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে। হেডের জন্য লাফ দেওয়ার সময় ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার মার্ক গুয়েহির সঙ্গে পোর্তোর গ্যাব্রিয়েল ভেইগার সংঘর্ষ হয়। পোর্তোর খেলোয়াড়দের দাবি, ওই ঘটনায় গুয়েহির কনুই ভেইগার গায়ে লাগে। ভেইগা কিছুক্ষণ মাঠে চিকিৎসাও নেন।

রেফারি অবশ্য ঘটনাটিতে গুয়েহিকে কোনো কার্ড দেখাননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পোর্তোর খেলোয়াড়রা। দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। প্রথমার্ধের শেষ বাঁশি বাজার পরও উত্তেজনা থামেনি।

খেলোয়াড়েরা ড্রেসিংরুমের দিকে যাওয়ার সময় সেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। টানেলে দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হলে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে দুই পক্ষকে আলাদা করেন। পরিস্থিতি যাতে হাতাহাতিতে রূপ না নেয়, সেজন্য নিরাপত্তাকর্মীদের কয়েকজনকে খেলোয়াড়দের মাঝখানে অবস্থান নিতে দেখা যায়।

এ সময় সিটির অধিনায়ক রুবেন দিয়াসকেও পোর্তোর এক কর্মকর্তার সঙ্গে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জড়াতে দেখা যায়। ফলে বিরতির কয়েক মিনিট কার্যত ফুটবলের বদলে উত্তেজনাই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য মাঠের ফুটবলে মনোযোগ ফেরায় দুই দল। বিরতির মাত্র ৯৪ সেকেন্ড পর হেডে সিটিকে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। যোগ করা সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।

তবে ম্যাচের শেষ দিকেও উত্তেজনা একেবারে কমেনি। হালান্ডের সঙ্গে পোর্তোর পাবলো রোসারিওর সংঘর্ষের পর দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়।

সব মিলিয়ে, হালান্ডের জোড়া গোলের রাত হলেও পোর্তোর বিপক্ষে সিটির জয় ছাপিয়ে ম্যাচের অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে থাকল গুয়েহি-ভেইগা সংঘর্ষ এবং তার জেরে টানেলে নিরাপত্তাকর্মীদের হস্তক্ষেপ।

এমএমআর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *