September 11, 2026

ম্যাচের পরই ফেনারবাচের কোচের পদত্যাগ

0
og_1789101950_6aa3877e35e78.jpeg


ফেনারবাচের প্রধান কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ইসমাইল কারতাল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোমার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্রয়ের কয়েক মিনিট পরই এই ঘোষণা দেন তিনি।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সবাইকে হতবাক করে দিয়ে এই ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে জানান, এর আগে খেলোয়াড় ও সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ক্লাবটিতে আর কখনো ফিরতে চান না তিনি।

চলতি বছরের জুনে চতুর্থ দফায় ফেনারবাচের কোচের দায়িত্ব নেন তিনি। তার অধীনেই ১৮ বছর পর ক্লাবটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরেছিল।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এক ম্যাচ পরই তিনি বিদায় নিলেন। তুর্কি সুপার লিগে নবম অবস্থানে ক্লাবটি দুই জয় ও দুই পরাজয় নিয়ে।

কারতাল বলেন, ‘আমি এখানে তিন মাস ধরে আছি। মৌসুমের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের নিয়ে আমাদের অনুশীলন ও ক্যাম্প এবং সভাপতির প্রচেষ্টা ছিল অত্যন্ত সহায়ক। দিনগুলো ছিল দারুণ। আজ সন্ধ্যা থেকে আমি আমার খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে কারণও দেখিয়েছেন কারতাল। তিনি বলেন, ‘ক্লাবের পথ সুগম করতেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দল হিসেবে আমরা সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে ফেনারবাহচে, আমার খেলোয়াড় এবং ভবিষ্যৎ কোচদের সহায়তা করার জন্যই আমি পদত্যাগ করছি। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আর কখনো এখানে ফিরব না।’

তবে ৬৫ বছর বয়সী কোচের পদত্যাগ গ্রহণ করেননি ক্লাব সভাপতি আজিজ ইলদিরিম।

ফেনারবাচের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ইসমাইল কারতাল এখনো দায়িত্বে আছেন। ক্লাবের উচিত আমাদের কোচকে সমর্থন করা। আমি যতদিন দায়িত্বে আছি, ইসমাইল কারতালই ফেনারবাহচের প্রধান কোচ।’

সংবাদ সম্মেলনের পর কারতালের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন ইলদিরিম। তার ভাষ্য, দায়িত্বের ‘চাপ’ এবং ম্যাচ চলাকালে গ্যালারি থেকে ছোড়া বোতলের আঘাতে কারতাল আহত হওয়ার ঘটনাও পদত্যাগের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ক্লাব জানিয়েছে, বোতল ছোড়ার ঘটনায় জড়িত দর্শককে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে স্টেডিয়ামে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

২০১৪ সালে প্রথমবার ফেনারবাচের কোচ থাকাকালে তুর্কি সুপার কাপ জিতেছিলেন কারতাল। এর আগে চার বছর ক্লাবটির সহকারী কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে ফেনারবাহচের হয়ে দুটি লিগ শিরোপাসহ মোট ছয়টি ট্রফি জিতেছেন এই তুর্কি কোচ।

আইএন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *