September 11, 2026

দূর-দূরান্ত থেকে এসে জাদুঘরের গেটে অপেক্ষা, খুলবে বিকেল ৩টায়

0
a-20260911131232.jpg


শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিকেল ৩টা থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। তবে জাদুঘর খোলার সময় না জেনে সকালেই দূর-দূরান্ত থেকে সেখানে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক দর্শনার্থী। কড়া রোদ ও ভ্যাপসা গরমে জাদুঘরের বাইরে অপেক্ষা করতে না পেরে অনেককে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সময় কাটাতে চলে যেতে দেখা যায়।

ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে বের হওয়া অনেকের গন্তব্য ছিল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। কিন্তু সেখানে পৌঁছে টিকিট কাউন্টার বন্ধ এবং প্রবেশের সুযোগ না পেয়ে হতাশ হতে দেখা যায় তাদের।

jagonews24

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, জাদুঘরের টিকিট কাউন্টারের সামনে দর্শনার্থীরা এসে দাঁড়িয়ে আছেন। তবে সেখানে টিকিট বিক্রেতা ছিলেন না। নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেকে জাদুঘরের গেটসংলগ্ন ছায়ায় অপেক্ষা করছিলেন। কেউ কেউ জাদুঘরের ভেতরে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে জানতে চাইছিলেন, কখন প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে, জাদুঘর বন্ধ কি না বা কেন বন্ধ।

অনেক দর্শনার্থী জাদুঘর খোলার সময় না জানায় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অন্যত্র চলে যান। কেউ কেউ সময় কাটাতে পাশের চন্দ্রিমা উদ্যান ও সংসদ ভবনের সামনের এলাকায় চলে যান।

jagonews24

দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে সাত বন্ধুকে নিয়ে জাদুঘরে আসেন জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘জানতাম না এটি বিকেল ৩টায় খোলা হয়। এত দূর থেকে এসে আমরা বিপদে পড়েছি।’

মিরপুর-১ নম্বর থেকে তিন বন্ধুকে নিয়ে এসেছেন মাদরাসা শিক্ষার্থী সিফাত। তিনি বলেন, ‘আমরা শুক্রবার ছুটি পাই। সন্ধ্যার আগেই মাদরাসায় ফিরতে হয়। এখন এসে দেখি জাদুঘর খুলবে বিকেল ৩টায়। আশপাশের কোনো মসজিদে গিয়ে তারপর আসবো ভাবছি।’

দর্শনার্থীরা জানান, শুক্রবারের মতো ছুটির দিনে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে জাদুঘর দেখতে আসেন। তাই সকাল থেকেই জাদুঘর খোলা রাখলে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি কমবে।

পুরান ঢাকা থেকে দুই মেয়েকে নিয়ে জাদুঘরে আসেন সিরাজুল। এক্সিট গেটে থাকা নিরাপত্তাকর্মী তাকে জানান, জাদুঘর বিকেল ৩টায় খুলবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পরে চন্দ্রিমা উদ্যানের দিকে চলে যান তিনি।

jagonews24

সিরাজুল বলেন, ‘ছুটির দিন সকাল থেকে খোলা রাখা যেত। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভোগান্তিতে পড়ছে।’

এদিকে, জাদুঘর সংলগ্ন গেটে দর্শনার্থীদের কাছে আইসক্রিম, আখের শরবত ও লেবুর পানি বিক্রি করতে একাধিক হকারকে দেখা যায়। তারা জানান, দুপুর ২টার পর থেকে জাদুঘর এলাকায় লোকসমাগম বাড়তে থাকে।

এসএম/এমকেআর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *