September 7, 2026

আব্দুল্লাহর সেঞ্চুরিতে বিশাল জয়ে ফাইনালে অনূর্ধ্ব-২৩ দল

0
og_1788789948_6a9ec4bc8900e.jpeg


লক্ষ্য প্রায় ৩৫০, অথচ ব্যাটিং বোঝার উপায় নেই! শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৭ দল ২৫ ওভার ব্যাটিং করে তুলতে পারলো মাত্র ৫০ রান! অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে আগের দেখায় আগেভাগে অলআউট হয়ে যাওয়া কিশোর দলটির এবার যেন একমাত্র লক্ষ্য ছিল ৫০ ওভার ব্যাটিং করা!

যদিও ডিফেন্সের পর ডিফেন্স করে গেলেও সেটি সম্ভব হয়নি। ১৬ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়েছে তারা। এই জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিডি (গেম ডেভেলপমেন্ট) ট্রফিতে অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে ২১৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। আগে ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ৩৪৫ রান তোলে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। জবাবে ৪৭.৩ ওভারে ১৩০ রানে অলআউট হয় অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ম্যাচ সেরা অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ব্যাটার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ খেলেন ১০১ রানের দূর্দান্ত এক ইনিংস। আগামী বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে অনূর্ধ্ব-২৩ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই উইকেটে টিকে থাকাতেই বেশি মনোযোগী দেখা যায় অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ব্যাটারদের। ষষ্ট ওভারে যখন তারা প্রথম উইকেট হারায়, স্কোরবোর্ডে রান মাত্র ৯। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে নূর এ আল ইসলাম জাভিকে সঙ্গে নিয়ে সৌরভ কর্মকার ৯১ বলের জুটিতে তোলেন মাত্র ২৭ রান।

কোনো বড় শট বা রান বাড়ানোর কোনো ইচ্ছাই তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছিল না। জাভির ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। এর কিছুক্ষণ পর ফেরা অধিনায়ক লওরেন্স রায় করেন ৮ বলে ৪ রান। আর ২০ রান করতে ৬৪ বল খরচ করেন সৌরভ।

ষষ্ঠ উইকেটে ইমরান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ ইফতেখারের জুটিতে ৪০ বলে আসে ৩৯ রান। ইমরান ৫১ বলে ২৯ ও ইফতেখার ৩৫ বলে করেন ২৬ রান। পরে বাকি ব্যাটাররা আর থিতু হতে না পারায় অলআউট হয় ১৫ বল আগে।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামা অনূর্ধ্ব-২৩ দল প্রথম উইকেট হারায় ইনিংসের চতুর্থ বলে। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে রিজান হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ রান যোগ করেন আদিল বিন সিদ্দিক। আদিল ৪০ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর অধিনায়ক কালাম সিদ্দিকি অলিন ফেরেন শূণ্য রানে।

এরপর আব্দুল্লাহ ও রিজান মিলে চতুর্থ উইকেটে ১৫৬ রানের জুটি গড়েন। ৭৬ রান করে রিজান ফিরলে ভাঙে তাদের জুটি। ৯৩ বলের ইনিংসে পাঁচ চার ও দুই ছয় হাঁকান তিনি। সেঞ্চুরি পূর্ণ করে আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আব্দুল্লাহ। ৪০তম ওভারে ফের আগে ৯৩ বলে ১১ চার ২ ছক্কায় করেন ১০১ রান।

২৪৯ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পর আহরার আমিন পিয়ানের ৪০ বলে ৫২, দেবাশিষ সরকার ১৮ বলে ২৭ আর মাহফুজুর রহমানের ৯ বলে ২২ রানের ইনিংসে প্রায় সাড়ে তিনশ রানের পুঁজি পায় অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

এসকেডি/আইএইচএস/



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *