সেলিম প্রধান ও সুব্রত বাইনের সহযোগী দীপুকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এক ব্যক্তিকে গুলি এবং বাড্ডায় গাড়ি পোড়ানোর পৃথক মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত সেলিম প্রধান ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মেহেদী হাসান দীপুকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. এহসানুল ইসলাম পুলিশের পৃথক দুই আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন ভাটারা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সেলিম প্রধানকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জ্যোতির্ময় মণ্ডল। আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউয়ের নতুন বাজার এলাকায় এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র মেরামতের কাজে ফরাজী হাসপাতালের সামনের সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে অস্ত্রোপচার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে ওই ঘটনায় সেলিম প্রধানের সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনার আগে তাকে ঘটনাস্থলের আশপাশে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতেও দেখা যায়। তবে সেলিম প্রধান মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
অন্যদিকে উত্তর বাড্ডায় চলন্ত বাসে আগুন দেওয়ার মামলায় মেহেদী হাসান দীপু ওরফে বিপুকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদনও মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে উত্তর বাড্ডা এলাকায় ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি অছিম পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দীপুর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীপু এ মামলার সন্দেহভাজন আসামি।
দুই মামলাতেই তদন্তের অগ্রগতি এবং আসামিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।
এমডিএএ/বিএ


