সরকারি রেলপথে বেসরকারি ট্রেন চালানোর প্রস্তাবে ‘দ্বিধায়’ রেলওয়ে
বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি অবকাঠামো ব্যবহার করে নিজস্ব অর্থায়নে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনা করতে চায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেড। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে রেলওয়ের কাছে দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি নিয়ে গত ২৮ জুলাই রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে একটি বিশেষ সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
সভার কার্যবিবরণীর একটি কপি এসেছে জাগো নিউজের হাতে। কার্যবিবরণী পর্যালোচনা করে জানা যায়, প্রশ্ন উঠেছে, রেলপথের অবকাঠামো নির্মাণ ও প্রকৌশল খাতে বড় সক্ষমতার দাবি করা ওয়েস্টার্ন গ্রুপ আদৌ ট্রেন পরিচালনার মতো জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে কতটা দক্ষ?
তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ড্রেজিং ও নির্মাণকাজে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনার সরাসরি পূর্ব অভিজ্ঞতার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আর বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে এভাবে বৃহৎ রুটে ট্রেন পরিচালনার ধারণা একেবারেই নতুন। এমন অবকাঠামো নির্মাণের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত কতটা ইতিবাচক হবে বা সরকার আদৌ এ সিদ্ধান্ত নেবে কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়।
যে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা
রেলওয়ের সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ওয়েস্টার্ন গ্রুপের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাত্রীবাহী রেলসেবা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। সভায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ট্রেন পরিচালনার জন্য ওয়েস্টার্ন গ্রুপের ওয়ার্কিং ক্যাপাসিটি যাচাই, বাণিজ্যিক টিকিট রিজার্ভেশন, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, দুর্ঘটনা ঘটলে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ, রেলপথের নিরাপত্তা, কোচ রক্ষণাবেক্ষণ, ইঞ্জিন ও পাওয়ারকারের জ্বালানি ব্যয়, বিদেশি জনবল ব্যবহারের সম্ভাবনা ও ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
অর্থাৎ, রেলওয়ের পক্ষ থেকেই প্রস্তাবটির ক্ষেত্রে অপারেশনাল সক্ষমতা ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়েছে।
প্রকৌশলে বড় প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন
ওয়েস্টার্ন গ্রুপের প্রধান প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এর কার্যক্রমের সূচনা ১৯৮৪ সালে। প্রতিষ্ঠানটি সড়ক, সেতু, পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো, ভূমি উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ড্রেজিংসহ বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পে কাজ করেছে। গ্রুপটি ৫৮১টি আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং ৪১টি ড্রেজারের বহর থাকার কথা জানিয়েছে।
গ্রুপটির ওয়েবসাইটে ৪০ বছরের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা, কয়েক হাজার কর্মী এবং বহু বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তাদের কাজের তালিকায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার তথ্যও রয়েছে।
অর্থাৎ, বড় প্রকৌশল ও অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু ট্রেন পরিচালনা কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মতো কাজ নয়। রেল পরিচালনার অভিজ্ঞতার জায়গাতেই বড় প্রশ্ন।
একটি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকে ট্রেনের নিরাপত্তা, লোকোমোটিভ ও কোচ রক্ষণাবেক্ষণ, চালক ও সহকারী চালক, গার্ড, ট্রেন এক্সামিনার, অপারেশন কন্ট্রোল, সিগন্যালিং, রেলওয়ের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, যাত্রী নিরাপত্তা, দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনা এবং রেলপথের নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলার মতো বহু কারিগরি বিষয়।
সভায় যে সব আলোচনা হয়েছে
সভার কার্যবিবরণী থেকে দেখা যায়, জেডিজি (লোকো) ওয়েস্টার্ন গ্রুপের মাধ্যমে বেসরকারিভাবে কনটেইনার ট্রেন পরিচালনার জন্য মতামত ব্যক্ত করেন। এছাড়া তিনি ওয়ার্কশপ ধারণক্ষমতা সম্পর্কে যাচাই করার বিষয়ে মত দেন।
পরিচালক ট্রাফিক (বাণিজ্যিক) টিকিট রিজার্ভেশন, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কীভাবে হবে, দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়-দায়িত্ব কীভাবে নির্ধারণ করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন মর্মে মতামত ব্যক্ত করেন।
সিএমই (পূর্ব) জানান, উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। তবে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে এই রুট ছাড়া অন্য কোনো রুটে ট্রেন পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না তা জানা প্রয়োজন বলে মত দেন।
এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়ার্কশপগুলোতে বর্তমানে সব কোচের মেনটেন্যান্স শতভাগ করা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রাইভেট) লিমিটেড প্রস্তাবিত রেকের মেনটেন্যান্স সম্ভব হবে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। এছাড়া ইঞ্জিন
ও পাওয়ারকারের তেলের টাকা কীভাবে পরিশোধ হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলে মতামত দেন সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার রুটের ট্রেন ও কক্সবাজার স্টেশন/ফাইল ছবি
সিওপিএস (পূর্ব) উল্লেখ করেন, বিভিন্ন দেশে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ট্রেন পরিচালনা করা হয়। তবে ওয়েস্টার্ন গ্রুপ কোন দেশের মডেল অনুসরণ করবে তা জানা প্রয়োজন।
জেডিজি (অপারেশন) জানান, ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রাইভেট) লিমিটেড ২২/৪৪ লোডের ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রস্তাব করেছে। তবে ঢাকা স্টেশন থেকে ১৮/৩৬ লোডের বেশি ট্রেন পরিচালনা করা আপাতত সম্ভব হবে না।
অতিরিক্ত সিসিএম (পূর্ব) টিকিট বিক্রির জন্য অন্য দেশের অনুরূপ বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বিআরআইটিএস (BRITS) ব্যবহারের বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।
ডিআরএম (ঢাকা) জানান, ওয়েস্টার্ন গ্রুপ কোচ মেরামতসহ অন্য কাজের ক্ষেত্রে বৈদেশিক জনবল ব্যবহার করলে বাংলাদেশের লোকজন কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। এক্ষেত্রে দেশের শতভাগ জনবল ব্যবহারের বিষয়ে চিন্তা করা যেতে পারে।
এডিজি (অপারেশন) জানান, বর্তমানে ঢাকা স্টেশন থেকে কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ঢাকা স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে এবং কক্সবাজার এক্সপ্রেস রাত ১১টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
আমরা রেলওয়ে বরাবর একটি আবেদন করেছিলাম। বাংলাদেশে আমরা বেসরকারিভাবে ট্রেন চালাতে চাই। কোচ-ইঞ্জিন আমরা নিজেরাই কিনবো। শুধু সরকারি রেল লাইন ব্যবহার করবো। এখন আমাদের এই সুযোগ দেবে কি না সেটি সরকারের বিষয়।-ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বশির আহমেদ
আয়ের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শুধু সময়ের ব্যবধানের কারণে পর্যটক এক্সপ্রেসে বার্ষিক প্রায় ১০ কোটি টাকা আয় কম হয়। সেক্ষেত্রে নতুন ট্রেনের জন্য পথ নির্ধারণ অন্যতম বিবেচনার বিষয়।
তিনি বলেন, স্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে প্রতিদিন প্রায় ১৪০টি ট্রেন পরিচালনা করা হয়। ফলে নতুন আরও চার জোড়া ট্রেন পরিচালনার জন্য পথ নির্ধারণ একটি চ্যালেঞ্জ। এছাড়া আরও নতুন ট্রেন ঢাকা স্টেশন থেকে পরিচালনা করার জন্য স্টেশনের মোডিফিকেশন প্রয়োজন হবে।
সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক বলেন, ওয়ার্কশপ সুবিধা শুরুতে দেওয়া যেতে পারে। তবে পরবর্তীসময়ে ওয়েস্টার্ন গ্রুপকে নিজস্ব অর্থায়নে ওয়ার্কশপ তৈরি করতে হবে। এছাড়া ক্যারেজের মেরামত কাজ সম্পন্ন করার জন্য ওয়েস্টার্ন গ্রুপকে নিজস্ব জনবল নিয়োগ করতে হবে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থার ক্ষেত্রে রেক সেকশন ক্লিয়ার করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্ভিস দেওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এছাড়া ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে অনিয়মের কারণে ক্ষয়ক্ষতি হলে এই ঝুঁকি ওয়েস্টার্ন গ্রুপকে বহন করতে হবে। রেলপথের নিরাপত্তা বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিশ্চিত করা হবে।
বাংলাদেশে এই মডেলের উদাহরণ নেই। কয়েকটা কমিউটার ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোর অভিজ্ঞতাও ভালো নয়। যদি সরকার এই মডেল চালু করতে চায় সেক্ষেত্রে যে কোম্পানি কাজটা করবে তাদের বিদেশি কোনো কোম্পানির সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চারে যেতে হবে। ট্রেন পরিচালনায় দক্ষ এমন কোনো কোম্পানির সঙ্গে মিলে কাজটা করতে হবে।-যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান
তবে বর্তমানে গার্ড ও এলএম স্বল্পতার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
এরপর মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ রুট পঞ্চগড়-কক্সবাজারে ট্রেন পরিচালনা করা যেতে পারে।
সভা শেষে রেলওয়ের মহাপরিচালক বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের ট্রেন পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য সম্পূর্ণ নতুন। এ বিষয়ে আরও আলোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেনকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি সাড়া দেননি।
জানতে চাইলে ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বশির আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা রেলওয়ে বরাবর একটি আবেদন করেছিলাম। বাংলাদেশে আমরা বেসরকারিভাবে ট্রেন চালাতে চাই। কোচ-ইঞ্জিন আমরা নিজেরাই কিনবো। শুধু সরকারি রেল লাইন ব্যবহার করবো। এখন আমাদের এই সুযোগ দেবে কি না সেটি সরকারের বিষয়।’
কনস্ট্রাকশন কোম্পানি হয়ে ট্রেন চালবেন কীভাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন খাতের ব্যবস্থা রয়েছে। রেলের টিকেটিং সিস্টেম ব্যবস্থাপনায় আমাদের কোম্পানি আছে। সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি পরিচালনা করে। এখানে ভিনসেনটা আমাদের গ্রুপের প্রতিষ্ঠান।’
তিনি বলেন, ‘আমরা ইন্ডিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় কোচ ও ইঞ্জিনের বিষয়ে কথা বলেছি। সুযোগ পেলে রেলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করতে পারবো।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক, অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সাবেক পরিচালক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই এমন মডেল আছে যেখানে সরকার অবকাঠামো তৈরি করে দেয় আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেগুলো পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠান যদি লোকোমোটিভ, কোচ নিজেরা কিনে আনে, সেক্ষেত্রে সেগুলোর পরিচর্যাও তারা করবে।’
তিনি বলেন, ‘তবে বাংলাদেশে এই মডেলের উদাহরণ নেই। কয়েকটা কমিউটার ট্রেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোর অভিজ্ঞতাও ভালো নয়। যদি সরকার এই মডেল চালু করতে চায় সেক্ষেত্রে যে কোম্পানি কাজটা করবে তাদের বিদেশি কোনো কোম্পানির সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চারে যেতে হবে। ট্রেন পরিচালনায় দক্ষ এমন কোনো কোম্পানির সঙ্গে মিলে কাজটা করতে হবে।’
এনএস/এএসএ






