September 9, 2026

মৌখিকের নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি, সুবিধা পাবে না কেউ

0
789487653-1537619180914314-4040369939848055568-n-m-mtslrujqlvebwzd-20260908174653.jpg


সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষায় মৌখিকের নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কাউকে সুবিধা দিতে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থায় বর্তমানে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে একেক ধরনের পরীক্ষাপদ্ধতি ও নম্বর বণ্টন চালু রয়েছে। কোথাও লিখিত পরীক্ষার তুলনায় মৌখিকের নম্বর কম, আবার কোথাও লিখিত ও মৌখিকের নম্বর প্রায় সমান।

এ ব্যবস্থায় সামঞ্জস্য আনতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের সরাসরি নিয়োগের জন্য অভিন্ন নম্বর বণ্টনের একটি বিশেষ বিধিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। নতুন বিধিমালায় মূলত মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হবে। এরই মধ্যে বিধিমালার খসড়া সরকারের সংশ্লিষ্ট কমিটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে সরাসরি নিয়োগে অবৈধ অর্থের লেনদেন, প্রভাব খাটানো ও আনুকূল্য দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব সামনে আসায় জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ মনে করছেন, মৌখিকের ওজন বাড়লে নিয়োগে অনিয়মের সুযোগও বাড়তে পারে।

বিশেষ করে লিখিত পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে এগিয়ে থাকা প্রার্থীর সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষায় বড় ব্যবধান তৈরি করার সুযোগ থাকায় এ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।- মো. আব্দুল বারী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

তবে সরকার বলছে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার নিয়োগ পরীক্ষায় সামঞ্জস্য আনা, প্রক্সি ও প্রযুক্তিনির্ভর অসদুপায় ঠেকানো এবং প্রকৃত যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা। আর চূড়ান্ত বিধিমালা প্রণয়নের আগে এখনো আরও প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে।

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর আলোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জাগো নিউজকে বলেন, ‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়। সবগুলো পরীক্ষাকে একটি ব্যবস্থার মধ্যে আনার জন্য আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘বিভিন্ন বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নেয়। সবগুলো পরীক্ষা একসঙ্গে করে একটা সিস্টেমে আনার জন্য একটা চিন্তা করা হচ্ছে, এটাই। ফাইনাল কিছু এখনো হয়নি তো। হোক, হোক আগে। তখন…’

যে পরিবর্তনের প্রস্তাব

সরকারি চাকরিতে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বণ্টনে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার নিয়োগ পরীক্ষায় সামঞ্জস্য আনতে ‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর এবং সংস্থাগুলোর ১১-২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মান বণ্টন (বিশেষ বিধান) বিধিমালা, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে এ বিধিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৩১ আগস্টের সারসংক্ষেপে এ বিধিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়।

প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, ১১তম ও ১২তম গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষায় লিখিত ১০০ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরের হবে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বা সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ২৫ নম্বর করে থাকবে। লিখিত পরীক্ষার সময় ৯০ মিনিট। লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩৫ শতাংশ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ পাস নম্বর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডের পদে লিখিত পরীক্ষা হবে ৬০ নম্বরের এবং মৌখিক পরীক্ষা ৪০ নম্বরের। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বা সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১৫ নম্বর করে থাকবে। পরীক্ষার সময় ৬০ মিনিট। লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৪০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডের পদে লিখিত পরীক্ষা হবে ২৫ নম্বরের এবং মৌখিক পরীক্ষা ২৫ নম্বরের। লিখিত পরীক্ষায় বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ৫, গণিতে ৫ এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বা সাধারণ জ্ঞানে ৫ নম্বর থাকবে। লিখিত পরীক্ষার সময় ৬০ মিনিট এবং লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৪০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পদে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ব্যবহারিক পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে। লিখিত ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে। নিয়োগের জন্য মৌখিক পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে।

প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে অভিন্ন পদ্ধতির উদ্যোগ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কার্যক্রমে কিছু পরীক্ষার্থী নিজে অংশগ্রহণ না করে প্রক্সি পরীক্ষার্থী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা অসদুপায় অবলম্বন করে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীর পরিবর্তে অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

এ কারণে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থী বাছাই, সরকারি চাকরিতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার নিয়োগ পরীক্ষায় সামঞ্জস্য আনতে অভিন্ন নম্বর বণ্টনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন টেকনোলজির যুগে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সমস্যাই হচ্ছে। কানের মধ্যে ইয়ে নিয়ে যে পরীক্ষা দিচ্ছে। নখের মধ্যে, ইভেন ইয়ার মধ্যে চিপস ঢুকাই নিয়ে যে পরীক্ষা দিতেছে, এগুলো অনেক বিষয় আছে। এ বিষয়ে তো আর আমি এই দুই মিনিটে আপনাকে এক মিনিটে বলতে পারবো না।’

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার আগে এ বিষয়ে সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার সিদ্ধান্ত নিক, তারপর এগুলো বলেন।’

যেভাবে নম্বর বণ্টন হচ্ছে এখন

বর্তমানে বিভিন্ন নিয়োগ বিধিমালায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর এক নয়। ‘বাংলাদেশ সচিবালয় (ক্যাডার বহির্ভূত গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা ২০১৪’, যা ২০২০ সালে সংশোধিত হয়েছে। এ বিধিমালা অনুযায়ী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রটোকল অফিসার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ২৫ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২৫।

ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ইলেকট্রিশিয়ান ও প্লেন পেপার কপিয়ার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ১০০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০।

ফটোকপি অপারেটর ও অফিস সহায়ক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৪০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০।

অন্যদিকে ‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংযুক্ত অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তরের কমন পদ নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ অনুযায়ী উচ্চমান সহকারী, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং প্লেইন পেপার কপিয়ার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৭০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৩০।

ফটোকপি অপারেটর, ডেসপাচ রাইডার ও অফিস সহায়ক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রেও লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৭০ এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৩০।

কমিটি গঠন, প্রতিবেদন ও খসড়া প্রস্তুত

‘মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংযুক্ত অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তরের কমন পদ নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করতে একটি খসড়া প্রণয়নের জন্য গত ১৮ মে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে এই কমিটির সভাপতি করা হয়।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন— জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের একজন প্রতিনিধি, অর্থ বিভাগের উপ-সচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের উপ-সচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) সচিবালয়ের একজন উপ-পরিচালক। কমিটি গত মাসের শুরুর দিকে প্রতিবেদন দাখিল করে।

কমিটির সুপারিশ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের পরামর্শের ভিত্তিতে বিধিমালার খসড়া প্রজ্ঞাপন ও তফসিল প্রস্তুতের পর নিয়োগবিধি পরীক্ষণ সংক্রান্ত উপকমিটির সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়।

এরপর প্রস্তাবিত বিধিমালাটি প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। পরে গত ৬ সেপ্টেম্বর সচিব কমিটির বৈঠকে খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

তবে সচিব কমিটিতে খসড়া অনুমোদন পেলেও বিধিমালাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীও জানিয়েছেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা একটি ব্যবস্থার মধ্যে আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

‘আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কিছু নাই।’

এদিকে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার কোনো কিছুরই অপব্যবহার করবে না। সব মানুষের জন্য যেটা সুবিধাজনক সেটা হবে। এই সরকার সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতায় বিশ্বাস করে। এখন পর্যন্ত সরকার যেভাবে চালিয়ে আসছে, প্রত্যেকটা বিষয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে এবং সব ক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধ।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কিছু নেই। সরকার যেটি করবে সেটা সবার জন্যই। প্রধানমন্ত্রী বারবারই বলেন যে তিনি সবার প্রধানমন্ত্রী, তিনি তো সর্বস্তরের মানুষের সরকার। এখানে কাউকে সুবিধা দেওয়ার জন্য কোনো কাজ এই সরকার কখনোই করবে না।’

আরএমএম/এমআইএইচএস



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *