September 9, 2026

শেফিল্ডে কেমন কাটছে হামজা চৌধুরীর দিন

0
og_1788930580_6aa0ea1475511.jpeg


লেস্টার সিটির সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে নতুন ঠিকানায় পা রেখেছেন বাংলাদেশের তারকা হামজা দেওয়ান চৌধুরী। শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ীভাবে যোগ দেওয়ার পর ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে তার। পুরোনো ক্লাবের স্মৃতি পেছনে ফেলে এখন নতুন দলের মাঝমাঠে নিজের জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে এই বাংলাদেশি ফুটবলার।

২০০৫ সালে মাত্র ৭ বছর বয়সে লেস্টার সিটির একাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন হামজা। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ২০১৭ সালে মূল দলে অভিষেক। লেস্টারের হয়ে ১৬৫ ম্যাচ খেলে তিন গোল করেছেন তিনি। ক্লাবটির হয়ে ২০২১ সালে এফএ কাপ এবং ২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বাদও পেয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লেস্টারের টানা অবনমন ও তৃতীয় স্তরে নেমে যাওয়া নতুন ঠিকানা বেছে নেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

শেফিল্ড ইউনাইটেড অবশ্য হামজার কাছে একেবারে অপরিচিত নয়। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ধারে এই ক্লাবেই খেলেছিলেন তিনি। সে সময় চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে ১৬ ম্যাচে মাঠে নেমে দলকে প্লে-অফ ফাইনালে উঠতে সহায়তা করেছিলেন। সেই পারফরম্যান্সের পরই এবার তাকে স্থায়ীভাবে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শেফিল্ড।

চলতি মৌসুমে নতুন ক্লাবের হয়ে হামজার শুরুটা মন্দ হয়নি। পাওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, শেফিল্ডের হয়ে চারটি চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে মাঠে নেমেছেন তিনি। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচে ছিলেন শুরুর একাদশে।

নটস কাউন্টির বিপক্ষে বদলি হিসেবে ১৯ মিনিট খেলার পর বোল্টন ও নরউইচের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন। সর্বশেষ ব্ল্যাকবার্নের বিপক্ষে খেলেছেন ৫৮ মিনিট। সব মিলিয়ে তার মাঠে থাকার সময় ২৫৭ মিনিট।

গোল কিংবা অ্যাসিস্টের খাতা এখনো খোলেননি হামজা। তবে তার মূল কাজ গোল করা নয়। মাঝমাঠে রক্ষণ সামলানো, বল দখল ধরে রাখা এবং দলের ভারসাম্য বজায় রাখাই তার বড় দায়িত্ব। ফলে গোল-অ্যাসিস্টের চেয়ে নিয়মিত একাদশে থাকা এবং দলের কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখাই হামজার পারফরম্যান্সের বড় মাপকাঠি।

তার শেফিল্ড ইউনাইটেডের শুরুটাও মিশ্র। ছয় ম্যাচে দলটির পয়েন্ট ৯, অবস্থান নবম। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে ব্ল্যাকবার্নকে ২-১ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে তারা। দলের মাঝমাঠে হামজার মতো রক্ষণাত্মক খেলোয়াড়ের উপস্থিতি তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশের দর্শকদের নজর অবশ্য এখন আরও বড় জায়গায়। সামনে বাংলাদেশের আসিয়ান কাপ, আর নভেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ের আগে হামজার ক্লাব পারফরম্যান্স নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। শেফিল্ডে যত বেশি সময়, যত বেশি ম্যাচে ধারাবাহিকতা-বাংলাদেশের জন্য ততই আশার খবর।

আরআই/এমএমআর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *