September 10, 2026

রাতে ২৭ শিক্ষককে ডেকে এসএসসির ফল পুনঃযাচাই, ফল পরিবর্তনের অভিযোগ

0
og_1788929618_6aa0e652cb9a7.jpeg


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর আবারও খাতা যাচাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ২৭ জন শিক্ষককে বোর্ডে ডেকে এনে বিভিন্ন বিষয়ের খাতা পুনরায় যাচাই করায় ফলাফলের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে বোর্ড কর্তৃপক্ষের দাবি, ফল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে নয়, পুনঃনিরীক্ষণের পর অস্বাভাবিক ফল পাওয়া যাওয়ায় তা পুনরায় যাচাই করতেই শিক্ষকদের ডাকা হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। নিয়ম অনুযায়ী এসব আবেদন যাচাই করে সংশ্লিষ্ট খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, পুনঃনিরীক্ষণের সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ২৭ জন শিক্ষককে শিক্ষা বোর্ডে ডেকে আনা হয়। তাদের দিয়ে ইংরেজি ও গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ের খাতা নতুন করে যাচাই করা হয়। এ সময় কিছু ফলাফল পরিবর্তনের কাজও করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাতে শিক্ষক ডেকে এনে পুনঃনিরীক্ষণের পর আবার খাতা যাচাইয়ের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আবার কেন খাতা যাচাইয়ের প্রয়োজন হলো? এভাবে ফলাফল পুনরায় যাচাই বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, ফল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে শিক্ষকদের ডাকা হয়নি। পুনঃনিরীক্ষণের পর বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি শিক্ষার্থী ফেল করায় বিষয় দুটি আবার যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পুনঃনিরীক্ষণের ফল নিয়ে কিছু অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়ায় বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দিয়ে আবার যাচাই করা হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ করার প্রয়োজন থাকায় রাতে শিক্ষকদের বোর্ডে আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যেকোনো সংশোধন বা পুনঃযাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও নীতিমালা অনুযায়ী হওয়া জরুরি।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই পুনঃনিরীক্ষণের ফল পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

মনির হোসেন মাহিন/কেজে/জেআইএম



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *