August 30, 2026

আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল

0
og_1788095256_6a942b189f605.jpeg


ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব বা এফসিসি বাংলাদেশের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে একটি সেমিনার আয়োজন করেছিল। পরে দিল্লি পুলিশের বাধার কারণে শেষ পর্যন্ত সেমিনারটি বাতিল করে আয়োজকরা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এফসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, দিল্লি পুলিশ শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানটির অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই সেমিনারটি বাতিল করতে হয়েছে।

এই সেমিনার আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে এফএফসিসির পক্ষ থেকে আগেই তাদের এক্স একাউন্টে একটি পোস্ট দিয়েছিল। সেখানে বিষয়বস্তু ও কারা বক্তব্য দিবে সেই বিষয়গুলো লিফলেটও যুক্ত ছিল।

এই সেমিনারে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম মাহমুদের।

এছাড়া মানবাধিকারকর্মী, গবেষক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রিসহ আরো বেশ কয়েকজনের এই সেমিনারে বক্তা হিসেবে ছিলেন।

ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘তারা শুধু আমাদের বলেছে এই অনুষ্ঠান করার অনুমতি নেই। তবে ঠিক কারণে অনুমতি নেই বা তারা বন্ধ করেছে সেটি তারা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।’

এ নিয়ে দিল্লি পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। দিল্লি পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা থাকলে পুলিশ যে কোনো সময়ে যেকোনো অনুষ্ঠান বাতিল করার অধিকার রাখে।’

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে আরও একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল এফসিসি। বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন।

এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল ঢাকা। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়।

দিল্লি থেকে বিবিসি সংবাদদাতা শুভজ্যোতি ঘোষ জানান, এ বছরের ৫ আগস্টের অভিজ্ঞতা পর হয়তো দিল্লি আওয়ামী লীগ নেতাদের কোন প্রকাশ্যে অনুষ্ঠান করতে দিতে চাইছে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রায় একই রকম বলছেন বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিকরা। তারা মনে করছেন, শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যের পরই দিল্লি ও ঢাকার সম্পর্ককে আরও তিক্ত করেছিল। যে কারণে প্রায় একই ধরনের আরেকটি অনুষ্ঠান হোক সেটি দিল্লি চায়নি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা
কেএএ/



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *