September 10, 2026

সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে

0
og_1789030463_6aa2703f90607.jpeg


একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা উন্নয়নের অন্যতম সহায়ক শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের কর্মকাণ্ডের ত্রুটি-বিচ্যুতিও গণমাধ্যমকে তুলে ধরতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বশীল ও স্বাধীন গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। জনগণের সমস্যা, প্রত্যাশা, সাফল্য ও সম্ভাবনার কথা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্যনিষ্ঠা, বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে সংবাদ এখন মানুষের কাছে অত্যন্ত দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও যাচাই-বাছাইহীন সংবাদ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সঠিক ও যাচাই করা তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, সড়ক পরিবহন, রেল যোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন ও বাস্তবভিত্তিক মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর করতে সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

ডিআরইউর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বসহ সব সদস্যকে শুভেচ্ছা জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘ পথচলায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি দেশের সাংবাদিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, কল্যাণ ও পারস্পরিক সহযোগিতায় সংগঠনটির ভূমিকা প্রশংসনীয়।

ডিআরইউর উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি বলেন, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, পিআইবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসেত জামান, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিএমডি অসীম কুমার সাহা, বেসিস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল খান, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজিমুজ্জামান, ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

কেএইচ/এমএমএআর



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *