September 6, 2026

সার্জন নেই, জরুরি বিভাগও বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে খামারিরা

0
og_1788678520_6a9d11782453f.jpeg


প্রায় ছয় বছর ধরে ভেটেরিনারি সার্জন নেই মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে। জরুরি বিভাগও চালু নেই। এতে সরকারি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার ৫ শতাধিক খামারি ও হাজার হাজার গবাদিপশু-হাঁস-মুরগি। ফলে বাধ্য হয়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির চিকিৎসায় পল্লি ও হাতুড়ে চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন খামারিরা।

জানা যায়, প্রায় ছয় বছর ধরে ভেটেরিনারি সার্জন না থাকায় সাধারণ খামারিরা গ্রামের চিকিৎসকদের পরামর্শে ওষুধ খাওয়ান অসুস্থ গবাদিপশুদেরকে। এতে অনেক সময় বিভিন্ন এলাকায় খামারি বা কৃষকের গৃহপালিত পশু মারা যায়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে চিকিৎসা সহায়তার আবেদন জানালেও জনবল সংকটে সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলায় ব্যক্তিপর্যায়ে কৃষকেরা গরু-ছাগল, মহিষ, ভেড়া, হাঁস, মুরগি লালন-পালন করছেন। অথচ প্রায় অর্ধ যুগ ধরে হাসপাতালে ভেটেরিনারি সার্জন পদটি শূন্য। এছাড়া হাসপাতালে সৃষ্ট ১১ টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ছয়জন। এই ছয়জন থেকে আবার দুজন রয়েছেন প্রশিক্ষণে।

উপজেলা পোলট্রি খামারি কাসেম মিয়া বলেন, রাজনগর ভেটেরিনারি হাসপাতাল থেকে কোনো সেবা পাই না। অনেক সময় গৃহপালিত পশু অসুস্থ হয়ে মারা যায় অথচ চিকিৎসার জন্য কাউকে খুঁজে পাইনা।

হাঁসের খামারি নাজমুল বলেন, আমাদের উপজেলা হাসপাতালে ভেটেরিনারি সার্জন নেই, তাই হাঁস- মুরগির অসুখ আসলে সঠিক চিকিৎসার অভাবে হাঁস-মুরগি প্রতিনিয়ত মারা যাচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম মোক্তাদির বিল্লাহ বলেন, হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান চিকিৎসক ভেটেরিনারি সার্জন নেই। ভেটেরিনারি সার্জন না থাকায় চিকিৎসাসেবা কিছু ব্যাহত হচ্ছে। তবে সীমিত জনবল নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

মাহিদুল ইসলাম/এসজেডএইচ/জেআইএম



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *