September 13, 2026

বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল: এনামুল হক

0
jagonewsimage-mtyf8jga3lajnxc-20260912193249.jpg


চট্টগ্রামের পটিয়ায় সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ২৫ কোটি চারা গাছ রোপণের অংশ হিসেবে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এনামুল হক এনাম।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ অভিযানে প্রথম দফায় পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০০টি চারা বিতরণ করা হয়।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক ও সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম।

প্রধান শিক্ষক এটিএম তোহার স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পটিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মঈনুল আলম ছোটন, হাইদগাঁও উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল দে প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহনাজ আকতার ও শিক্ষক নুরুল আমিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনামুল হক এনাম এমপি বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এই মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়ে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অটোপাস করানো হতো। এখন সেই সুযোগ নেই। পড়াশোনা করেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী বলেন, ‘সরকার শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক। আগামীতে দেশকে নেতৃত্ব দিতে হলে বর্তমান প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে তাদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি হবে।’ পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অতিথিরা বৃক্ষরোপণ করেন। একই সঙ্গে ৫০০ শিক্ষার্থীর হাতে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

এমডিআইএইচ/এমএমকে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *