September 12, 2026

বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর পর্দা নামলো

0
ujma-mam3-20260912191409.jpg


খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং প্রযুক্তিবিষয়ক তিন দিনব্যাপী ১১তম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬-এর পর্দা নামলো আজ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) হল-৪-এ এই প্রদর্শনী শুরু হয়।

এবারের আসরে ২৭ দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড অংশ নেয়। এসেছিলেন দেড় শতাধিক বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা। মেলায় বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি কারিগরি অধিবেশন, সেমিনার ও ব্যবহারিক কার্যক্রমে এ খাতের শিল্পোদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (রিমস) যৌথভাবে প্রদর্শনীটি আয়োজন করে। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এবং ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল।

তিনদিনে প্রদর্শনীতে ২০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছিল বলে জানান আয়োজকরা। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফিলিং, প্যাকেজিং, কোডিং ও মার্কিং, লেবেলিং, মান পরিদর্শন, গুদামজাতকরণ, কোল্ড চেইন এবং লজিস্টিকসের আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।

এবার অংশগ্রহণকারী বিদেশি দেশগুলোর মধ্যে ছিল আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইতালি, জাপান, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম বলেন, আমরা সফলভাবে এবারের আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি। দেশের কৃষিপণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের উন্নয়নে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই প্রদর্শনী উদ্যোক্তাদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে আমি মনে করি।

১০ সেপ্টেম্বর এই প্রদর্শনী শুরু হয়, অংশ নেয় ২৭ দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, বাংলাদেশে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি আস্থা শুধু দেশের মানুষের নয়, বিদেশিরাও এ সরকারের প্রতি আস্থাশীল। আর কয়েক মাসের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির স্বাভাবিক হচ্ছে। যে কারণে দেশে ব্যবসার অবারিত সুযোগ তৈরি হবে। সরকার সম্পূর্ণ নীতি সহায়তা নিয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়াবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের এখন সবচেয়ে বড় কাজ হলো সরকারের বিদ্যমান নীতিগত সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় কীভাবে আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তাই এখন আমাদের স্পষ্টভাবে ঠিক করতে হবে আমরা কোন সুনির্দিষ্ট অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে এগোবো।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম, বাপার জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি উজমা চৌধুরী, বাপার সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছান, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ডেপুটি এডিটর সাজ্জাদুর রহমান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (এক্সপোর্ট) মিজানুর রহমান ও স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পারভেজ সাইফুল ইসলাম।

এনএইচ/ইএ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *