September 6, 2026

প্লাস্টিক বর্জ্যে মিলছে খাবার-নিত্যপণ্য, বাড়ছে নাগরিক সম্পৃক্ততা

0
og_1788611406_6a9c0b4eb4c7b.jpeg


পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় সহায়তার লক্ষ্যেও কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আশরাফাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অস্থায়ী বাজারে এলাকার হাজারো নাগরিক বাসাবাড়ির প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে এর বিনিময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করেন।

​কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি নাগরিকদের এ কাজে উৎসাহিত করার একটি কার্যকর উদ্যোগ। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেললে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত হবে।

তিনি বলেন, শিগগির গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি এসটিএসের সুবিধাজনক স্থানে পথশিশুদের জন্য চেয়ার-টেবিল ও বইসহ ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বক্তব্যের শেষে তিনি কামরাঙ্গীরচরবাসীকে বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা, দখলমুক্ত রাখা এবং যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানান।

​বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কেবল সহায়তা না দিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশীদার করছি। গত দুই বছরে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় হয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে আহার করানো সম্ভব হয়েছে।”

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শুধু সহায়তা নয়, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশীদার করা হচ্ছে। গত দুই বছরে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় হয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।

এমএমএ/এমএএইচ/



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *