September 6, 2026

পোশাক কারখানায় তালা, কর্মসংস্থানের দরজা কি বন্ধ হয়ে যাবে?

0
og_1788663258_6a9cd5da9685f.jpeg


সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর কিংবা চট্টগ্রামের কোনো শিল্পাঞ্চলের ভোরের দৃশ্যটি বাংলাদেশের অর্থনীতির এক নীরব প্রতিচ্ছবি। কারখানার গেটের সামনে শ্রমিকদের ভিড়, হাতে টিফিনের ব্যাগ, কাঁধে ছোট ব্যাগ, চোখে দিনের কাজের প্রত্যাশা। এই দৃশ্য গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। গ্রামের দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি পোশাক কারখানায় কাজ করে নিজের আয় করেছেন, ভাই-বোনের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন, সংসারে অবদান রেখেছেন। কিন্তু সেই গেটেই যখন একদিন ঝুলে যায় তালা, তখন শুধু একটি কারখানা বন্ধ হয় না; বন্ধ হয়ে যায় অসংখ্য পরিবারের আয়-রোজগারের একটি দরজা।

আজ সেই দরজা নিয়েই বড় প্রশ্ন উঠছে। গত  বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্ন উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য (এমপি) মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে দেশে ৪০৫টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ১২৩টি কারখানা রয়েছে। বন্ধ কারখানার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ এখনো চলছে।

সংখ্যাটি নিছক একটি পরিসংখ্যান নয়। এর ভেতরে রয়েছে শ্রমিকের আয় হারানোর আশঙ্কা, উদ্যোক্তার বিনিয়োগ ঝুঁকি, ব্যাংকের ঋণ, রপ্তানি বাজারের অনিশ্চয়তা এবং দেশের শিল্পায়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক শিল্পের গুরুত্ব বোঝার জন্য খুব বেশি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। বিজিএমইএর হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার; এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে এসেছে প্রায় ৩৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ মোট রপ্তানির প্রায় ৮১ শতাংশ।

অর্থাৎ, পোশাক কারখানায় তালা পড়ার অর্থ শুধু একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বন্ধ হওয়া নয়। এর সঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়, শিল্পের সরবরাহব্যবস্থা, পরিবহন, ব্যাংকিং, বন্দর, বীমা এবং লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আছে—সব কারখানাই কি টিকিয়ে রাখা সম্ভব? উত্তর সম্ভবত না। বাজারে অদক্ষ, প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে থাকা কিংবা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা প্রতিষ্ঠানকে কেবল ভর্তুকি দিয়ে টিকিয়ে রাখা কোনো টেকসই অর্থনৈতিক নীতি নয়। কিন্তু একটি কারখানা কেন বন্ধ হচ্ছে, সেটি বোঝার চেষ্টা না করে শুধু ‘কারখানা বন্ধ’কে ব্যবসায়িক ব্যর্থতা হিসেবে দেখাও সমান ভুল। কারণ বর্তমান সংকটের শিকড় এক জায়গায় নয়।

বাণিজ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মন্দা, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং ছোট ও মাঝারি কারখানার প্রতি বিদেশি ক্রেতাদের অনাগ্রহ—এসবই পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের অভ্যন্তরের আরও কিছু পুরোনো সমস্যা। গ্যাস-বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা, ঋণের উচ্চ ব্যয়, বন্দরের দক্ষতা, কাঁচামাল আমদানির জটিলতা, কর ও শুল্কব্যবস্থার অসঙ্গতি, শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির চাপ—সব মিলিয়ে উদ্যোক্তার জন্য ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে উঠছে।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বাঁচানোর লড়াই তাই শুধু একটি শিল্পকে বাঁচানোর লড়াই নয়; এটি কর্মসংস্থান, নারী অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, মধ্যবিত্তের বিস্তার এবং দেশের ভবিষ্যৎ শিল্পায়ন রক্ষা করার লড়াই। আজ যে শ্রমিকের হাতে কাজ আছে, আগামীকাল তাঁর হাতে কাজ থাকবে কি না—এই প্রশ্নের উত্তরই হবে আমাদের উন্নয়নের প্রকৃত পরীক্ষা।

সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি সংকটও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আগস্টে বিজিএমইএ জানিয়েছিল, গ্যাস সংকটের কারণে অনেক কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। একই সময়ে সংগঠনটি জানিয়েছিল, দুই বছরে শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে প্রায় ৪০ হাজার কর্মসংস্থান কমেছে।

এখানেই কর্মসংস্থানের প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে শিল্পায়নের ইতিহাসে পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় অবদান শুধু রপ্তানি নয়; বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা। বিশেষ করে গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের পরিবারের নারীদের জন্য তৈরি পোশাক শিল্প অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের একটি বড় মাধ্যম হয়েছে। একজন নারী যখন নিজের উপার্জন করেন, তখন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত আয় বাড়ে না; পরিবারের খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও আবাসনেও তার প্রভাব পড়ে।

তাই কারখানা বন্ধ হওয়ার পর একজন শ্রমিকের হাতে শুধু একটি চাকরি থাকে না—থাকে না নিয়মিত আয়, সন্তানের স্কুলের নিশ্চয়তা, বাড়িভাড়া দেওয়ার সক্ষমতা, পরিবারের চিকিৎসার খরচ মেটানোর সামর্থ্য। অনেক ক্ষেত্রে চাকরি হারানোর পর একই ধরনের কাজ খুঁজতে শ্রমিককে অন্য শিল্পাঞ্চলে যেতে হয়। কেউ রিকশা চালানো, গৃহকর্ম, ছোট ব্যবসা কিংবা অনানুষ্ঠানিক খাতে চলে যান। ফলে শুধু চাকরি হারায় না, শ্রমিকের দক্ষতারও অবমূল্যায়ন ঘটে।

এই বাস্তবতায় ‘কারখানা বন্ধ’ এবং ‘কর্মসংস্থান’কে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু আরেকটি সত্যও আমাদের স্বীকার করতে হবে। বিশ্ববাজার বদলে যাচ্ছে। ক্রেতারা এখন শুধু কম দামে পোশাক চান না; তাঁরা পরিবেশ, শ্রমিকের অধিকার, জ্বালানি দক্ষতা, কার্বন নিঃসরণ, নিরাপত্তা এবং উৎপাদন ব্যবস্থার স্বচ্ছতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনও পোশাক উৎপাদনের ধরন বদলে দিচ্ছে। ফলে আগামী দিনের প্রতিযোগিতা হবে শুধু সস্তা শ্রমের ওপর নয়, দক্ষতা, প্রযুক্তি, গুণমান ও দ্রুত সরবরাহের ওপর।

বাংলাদেশ যদি এখনো মনে করে শুধু কম মজুরির শ্রমিক দিয়েই বিশ্ববাজার ধরে রাখা যাবে, তাহলে ভুল করবে। প্রয়োজন শিল্পনীতির নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। যেসব কারখানা সাময়িক সংকটে রয়েছে, তাদের জন্য সহজ শর্তে পুনঃঅর্থায়ন, ঋণ পুনর্গঠন এবং উৎপাদন চালু রাখার বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তবে এই সহায়তার সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে অদক্ষ, অনুৎপাদনশীল এবং বাজারে অপ্রতিযোগিতামূলক, তাদের জন্য পুনর্গঠন, একীভূতকরণ বা বিকল্প ব্যবহারের পথ খুঁজতে হবে।

ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোর জন্য বিশেষ নীতিও জরুরি। বড় কারখানার মতো তাদের পক্ষে আধুনিক প্রযুক্তি, কমপ্লায়েন্স ও পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় বিপুল বিনিয়োগ করা সবসময় সম্ভব হয় না। অথচ কর্মসংস্থানে তাদের ভূমিকা কম নয়। রাষ্ট্র ও শিল্প সংগঠনগুলো যৌথভাবে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, পরীক্ষাগার, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ও কমপ্লায়েন্স সুবিধা ভাগাভাগির ব্যবস্থা করতে পারে।

আর শ্রমিকদের কী হবে? এই প্রশ্নটির উত্তর শুধু ‘নতুন কারখানায় চাকরি হবে’—এমন আশ্বাসে শেষ করা যাবে না। যাঁরা চাকরি হারাচ্ছেন, তাঁদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কার্যকর শ্রমিক পুনর্বাসন পুনঃদক্ষতা কর্মসূচি দরকার। একজন সেলাই অপারেটরকে নতুন প্রযুক্তির মেশিন চালানো শেখানো যেতে পারে। কোয়ালিটি কন্ট্রোল, মার্চেন্ডাইজিং, মেশিন রক্ষণাবেক্ষণ, ওয়্যারহাউজ ব্যবস্থাপনা কিংবা ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থার মতো কাজে তাঁদের দক্ষ করে তোলা সম্ভব।

এ ক্ষেত্রে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সরকার, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু চাকরি হারানোর পর প্রশিক্ষণ নয়; কারখানা বন্ধ হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমিকদের চিহ্নিত করে বিকল্প দক্ষতা তৈরির ব্যবস্থা করা গেলে সংকটের সামাজিক অভিঘাত অনেকটাই কমানো সম্ভব।

একই সঙ্গে প্রয়োজন নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি করা। বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী বাড়ছে। পোশাক খাত একাই সবার জন্য কাজের ব্যবস্থা করতে পারবে না। তাই চামড়া, জুতা, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত শিল্প, ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটনসহ বিভিন্ন শ্রমঘন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একটি শিল্পের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনীতিকে যেমন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে, তেমনি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা তৈরি করে।

তবে পোশাক শিল্প দুর্বল করে অন্য শিল্প গড়ার চিন্তা করাও বাস্তবসম্মত নয়। বরং পোশাক শিল্প আরও শক্তিশালী, প্রযুক্তিনির্ভর ও বহুমুখী করতে হবে। প্রচলিত টি-শার্ট, ট্রাউজার কিংবা সোয়েটারের বাইরে উচ্চমূল্যের পোশাক, প্রযুক্তিনির্ভর টেক্সটাইল, পুনর্ব্যবহৃত তন্তু, মেডিকেল টেক্সটাইল ও বিশেষায়িত পোশাকের বাজারে প্রবেশ করতে হবে।

বাংলাদেশের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। একদিকে চার শতাধিক কারখানা বন্ধ হওয়ার বাস্তবতা; অন্যদিকে এখনো বিশ্বের অন্যতম বড় পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বিশাল বাজার ও সক্ষমতা। এই দুই বাস্তবতা একসঙ্গে দেখতে হবে।

কারখানা বন্ধ হওয়ার খবরকে শুধু শিল্পমালিকের সমস্যা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। আবার প্রতিটি বন্ধ কারখানাকে রাষ্ট্রের অর্থে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করাও সমাধান নয়। প্রয়োজন এমন একটি নীতি, যেখানে সক্ষম উদ্যোক্তা টিকে থাকার সুযোগ পাবেন, শ্রমিক কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা পাবেন এবং অদক্ষ প্রতিষ্ঠানকে সংস্কারের পথে আনা হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, কর্মসংস্থান অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরিয়ে আনতে হবে। বিনিয়োগের হিসাব শুধু কত টাকা এসেছে দিয়ে করলে হবে না; দেখতে হবে কতটি টেকসই কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। রপ্তানি কত বেড়েছে, তার পাশাপাশি দেখতে হবে কতজন শ্রমিকের আয় স্থিতিশীল হয়েছে। নতুন শিল্পাঞ্চল কতটি হয়েছে, তার সঙ্গে হিসাব করতে হবে কতটি পরিবার দারিদ্র্যের ঝুঁকি থেকে বেরিয়ে এসেছে।

একটি কারখানার গেটে ঝোলানো তালা তাই কেবল একটি তালা নয়। তার শব্দ অনেক দূর পর্যন্ত যায়—শ্রমিকের ঘরে, সন্তানের স্কুলে, বাজারের দোকানে, ব্যাংকের হিসাবে, এমনকি দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্রেও।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বাঁচানোর লড়াই তাই শুধু একটি শিল্পকে বাঁচানোর লড়াই নয়; এটি কর্মসংস্থান, নারী অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, মধ্যবিত্তের বিস্তার এবং দেশের ভবিষ্যৎ শিল্পায়নকে রক্ষা করার লড়াই। আজ যে শ্রমিকের হাতে কাজ আছে, আগামীকাল তাঁর হাতে কাজ থাকবে কি না—এই প্রশ্নের উত্তরই হবে আমাদের উন্নয়নের প্রকৃত পরীক্ষা।

কারখানার দরজা বন্ধ হলেও মানুষের কর্মসংস্থানের দরজা যেন বন্ধ না হয়। কারণ একটি কারখানা হারালে একটি ভবন হারায়; কিন্তু একটি কর্মসংস্থান হারালে একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে যায়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেই ভবিষ্যৎকে শুধু পরিসংখ্যানের পাতায় নয়, বাস্তব জীবনে নিরাপদ রাখা।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্টডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ

 drharun.press@gmail.com

এইচআর/এমএফএ/জেআইএম



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *