September 14, 2026

পল্লবীতে বস্তাবন্দির ভিডিও ‘অপহরণ নাটক’, চট্টগ্রাম থেকে নজরুল উদ্ধার

0
og_1789390444_6aa7ee6c76008.jpeg


রাজধানীর পল্লবীতে সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় করে এক ব্যক্তিকে টেনে নেওয়ার সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশের অনুসন্ধানে ঘটনাটি অপহরণ নয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় আলোচিত নজরুল ইসলামকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই ঘটনায় তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পূর্ণাঙ্গ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নজরুল ইসলামকে জোর করে তুলে নেওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক আহমেদ জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, নজরুল ইসলামকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।

জানা যায়, উদ্ধার হওয়া নজরুল ইসলাম (৫০) টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার শুকুর আলীর ছেলে। তিনি প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে রাজধানীর পল্লবীর অ্যাভিনিউ-২, ব্লক-এ এলাকায় দ্য স্যালভেশন আর্মির যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ ক্লিনিকে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন।

পুলিশের অনুসন্ধানে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরুলকে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে দাবি করা হলেও তিনি প্রকল্প ব্যবস্থাপক নন। তিনি ক্লিনিকটির নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাতে ক্লিনিকের গেটের পাশে একটি ছোট টেবিলে বসে দায়িত্ব পালন এবং সেখানেই ঘুমাতেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে নজরুল নাইট গার্ডের দায়িত্বে যোগ দেন। পরদিন ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টার দিকে বদলি গার্ড দানিয়েল সরকার এসে তাকে না পেয়ে বিষয়টি প্রকল্প ব্যবস্থাপক বোস এলভিন অথিকে জানান। পরে প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।

ফুটেজে দেখা যায়, ১১ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় করে নজরুলকে ক্লিনিকের গেটের সামনে এনে রাখেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে নজরুল নিজেই বস্তা থেকে বের হয়ে আসেন। এরপর তাকে কিছুক্ষণ গেটের সামনে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে রিকশায় করে সেখান থেকে চলে যান তিনি।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটিকে অপহরণ হিসেবে বিভিন্নভাবে প্রচার করা হয়। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে পল্লবী থানা ও মিরপুর বিভাগের পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে।

টিটি/এমএএইচ/



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *