September 5, 2026

নামজারির সময় জমির প্রকৃত শ্রেণি রেকর্ড হালনাগাদের উদ্যোগ

0
1-mszotd6y69g4j6t-20260819120921.jpg


নামজারি করার সময় জমির বাস্তব বা প্রকৃত শ্রেণিকে রেকর্ডিয় শ্রেণি হিসেবে নামজারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এজন্য ই-মিউটেশন সিস্টেমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ভূমি ব্যবস্থাপনার একটি বড় সমস্যা হচ্ছে রেকর্ডিয় শ্রেণি হালনাগাদ করা। সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে অথবা মানুষ নিজের প্রয়োজনে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে থাকেন। প্রাকৃতিকভাবে বা মানুষের দ্বারা পরিবর্তিত শ্রেণিকে রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ শ্রেণি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত না করা হলে ভূমি রেজিস্ট্রেশন এবং অন্যান্য কাজ সম্পাদনের সময় যথাযথভাবে ভূমির মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে নিয়মিতভাবে শ্রেণি পরিবর্তনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় রেকর্ডিয় শ্রেণি নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ভূমি হস্তান্তরের মাধ্যমে বা ওয়ারিশ সূত্রে কোনো ব্যক্তি ভূমির মালিকানা অর্জন করার পর নামজারি করতে হয় জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, নামজারির মাধ্যমে রেকর্ড হালনাগাদ করা হয় বিধায় নামজারির সঙ্গে সঙ্গে ভূমির প্রকৃত শ্রেণিকে রেকর্ডিয় শ্রেণিতে রূপান্তর করে শ্রেণি হালনাগাদ করা সম্ভব। তবে বর্তমানে নামজারির সময় ভূমির বাস্তবে ব্যবহৃত শ্রেণি নামজারি খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করে রেকর্ডিয় শ্রেণি হালনাগাদ করা হয় না।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে ই-মিউটেশন সফটওয়্যারে নামজারি করার সময় রেকর্ডিয় শ্রেণি হালনাগাদ করার ব্যবস্থা নেই। ভূমি উন্নয়ন কর আদায়সহ ভূমির যথাযথ মূল্য নির্ধারণ এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য ভূমির রেকর্ডিয় শ্রেণি নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নামজারির আবেদন করলে আবেদন মঞ্জুরের সময় বাস্তব শ্রেণিকে রেকর্ডিয় শ্রেণি হিসেবে নামজারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা ই-মিউটেশন সিস্টেমে চালু করার জন্য ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

আরএমএম/একিউএফ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *