August 30, 2026

খারাপ আচরণ-অনুপস্থিতিসহ যেসব কারণে বন্ধ হতে পারে বৃত্তির টাকা

0
schorship-mtfzwek9juca6l4-20260830220208.jpg


বৃত্তি পেলেই তিন বছর নিয়মিত টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। শিক্ষার্থীর আচরণ, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও পড়াশোনার অগ্রগতির ওপরও নির্ভর করবে বৃত্তি চালু থাকা। নির্ধারিত শর্ত ভঙ্গ হলে বন্ধ হতে পারে বৃত্তির অর্থ।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলের ভিত্তিতে বৃত্তির অর্থের হার নির্ধারণ করে এ শর্ত জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রোববার (৩০ আগস্ট) অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বৃত্তির হার ও শর্তগুলো জানানো হয়।

চিঠি অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। এ হার ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য কার্যকর হবে।

বৃত্তির টাকা পেতে মানতে হবে যেসব শর্ত

বৃত্তিধারী শিক্ষার্থীর সদাচরণ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও সন্তোষজনক পাঠগ্রহণ নিশ্চিত হলেই বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, এসব ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ না হলে বৃত্তির টাকা বন্ধ হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া, কোনো শিক্ষার্থী সরকার অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নকালীন পাঠবিরতিও হিসাবের মধ্যে গণ্য হবে।

বৃত্তিধারী সব শিক্ষার্থী বিনা বেতনে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি মাধ্যমিক বা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে।

যেভাবে দেওয়া হবে টাকা

বৃত্তির অর্থ জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। এজন্য যে কোনো ব্যাংকে হিসাব খুলে হিসাব সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দিতে হবে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নির্ধারিত বিল ফরমে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিস্বাক্ষর নেওয়ার পর নিজ নিজ এলাকার সরকারি কোষাগার থেকে বৃত্তির টাকা উত্তোলন করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করবেন।

প্রয়োজনে পরিবর্তন করতে পারবে সরকার

চিঠিতে বলা হয়েছে, বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল সরকারি শর্তের আওতাভুক্ত হতে পারে। প্রয়োজনবোধে বৃত্তির সংখ্যা, হার ও মেয়াদসহ এ আদেশের অন্তর্ভুক্ত যে কোনো শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন ও বাতিল করতে পারবে সরকার।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মেধাবৃত্তি খাত থেকে দেওয়া হবে।

বরাদ্দ বৃত্তির টাকার বিল প্রতি অর্থবছরের শেষে অর্থাৎ ৩০ জুনের মধ্যে উত্তোলন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা উত্তোলন করা না হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পুনর্মঞ্জুরি নিয়ে তা উত্তোলন করা যাবে।

এছাড়া, সাধারণ বৃত্তি ও সম্পূরক বৃত্তির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। প্রকাশিত ফলে কোনো ধরনের ত্রুটি পাওয়া গেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রাথমিক বৃত্তির তালিকা সংশোধন, বাতিল ও পুনর্বহালের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

এএএইচ/এএমএ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *