September 1, 2026

ইয়ামালের অবিশ্বাস্য রেকর্ড, ইতিহাসে প্রথম

0
6a96714846efa17882442966a96714846f08.jpg



২০ বছর বয়স এখনো পেরোয়নি। অথচ এই বয়সেই গোল করা, সতীর্থদের দিয়ে গোল করানো এবং একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছেন লামিন ইয়ামাল। রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে গত রাতের ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার যে কীর্তি গড়েছেন, সেটি আরও বিশেষ—ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ইতিহাসে এত কম বয়সে এমন নজির আর কারও নেই।

বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করার পর বেশ কিছুদিন গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না ইয়ামাল। টানা আট ম্যাচেও গোল না পাওয়ায় শেষ দুই ম্যাচে তার হতাশা স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। ক্যারিয়ার এখনো ছোট হলেও এমন গোলখরা তার জন্য ছিল অস্বস্তিকর।

অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন রাজকীয়ভাবেই। আগের দুই ম্যাচেই তার ফর্মের আভাস মিলেছিল, বিশ্বকাপেও পারফরম্যান্সে ঘাটতি ছিল না—শুধু গোলটাই আসছিল না। রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে সেই গোলের দেখা পেলেন তিনি।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ইয়ামাল। বক্সের বাইরে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে দর্শকদের প্রশংসাও কুড়ান। তবে তাতে যেন তার মন ভরছিল না। কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ২১ মিনিট পর্যন্ত।

মার্ক বের্নালের পাস থেকে বক্সের ডান প্রান্তে বল পান ইয়ামাল। এরপর দুর্দান্ত গতির এক শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সেই গোলেই স্পর্শ করেন ৫০ গোলের মাইলফলক।

বার্সেলোনার মূল দলের হয়ে মাত্র ১৯ বছর ৪৯ দিন বয়সে ৫০ গোল পূর্ণ করলেন ইয়ামাল। ক্লাবটির ইতিহাসে এত কম বয়সে এই কীর্তি আর কোনো ফুটবলার করতে পারেননি।

রেকর্ডটি শুধু বার্সেলোনাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের হিসাবেও ইয়ামাল গড়েছেন অনন্য নজির। ২০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই ৫০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়া ফুটবলারদের তালিকায় তার আগে ছিলেন কেবল কিলিয়ান এমবাপ্পে। পিএসজির হয়ে ৫০ গোল করতে এমবাপ্পের বয়স হয়েছিল ১৯ বছর ২৪১ দিন। আর আর্লিং হলান্ড এই মাইলফলকে পৌঁছান ২০ বছর ১৯৬ দিন বয়সে।

অর্থাৎ এমবাপ্পে ও হলান্ডকে পেছনে ফেলে আরও কম বয়সে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন ইয়ামাল।

তবে এখানেই থামেননি বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কারিম আদেয়েমির পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটিও করেন তিনি। ফলে ক্লাবের হয়ে গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৫১-এ।

রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে বার্সেলোনার ৫-২ ব্যবধানের জয়ে ইয়ামালের জোড়া গোলের পাশাপাশি রাফিনিয়াও করেন দুটি গোল। দুই গোলেই সহায়তা করেন অ্যান্থনি গর্ডন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *