আগে বলতো ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম
ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার ও অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আগে কখনো ‘রাজাকার’, কখনো ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলা হয়েছে। এখন নতুন করে ‘গুপ্ত’ শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ছাত্রশিবিরের কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, “এখনো আমাদেরকে নানা প্রোপাগান্ডা, নানাভাবে অপবাদ দেওয়া হয়। কখনো আমাদেরকে রাজাকার, কখনো যুদ্ধাপরাধী বলা হয়েছে। এখন একটা শব্দ বের হয়েছে ‘গুপ্ত’। তোমাদের এখানে আসার আগেও শুনলাম ‘গুপ্ত’।”
তিনি বলেন, “এত সুন্দর বড় একটি অনুষ্ঠান শিল্পকলায় হচ্ছে, এরপরও কেউ না কেউ ফেসবুকে এসে লিখবে ‘গুপ্ত’। তার সঙ্গে একসঙ্গে বসে আমরা টকশো করছি, এরপরও তিনি আমাদেরকে বলছেন ‘গুপ্ত’।”
একটি ছাত্র সংগঠনকে ইঙ্গিত করে তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান শিবিরের সাবেক সভাপতি।
তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু কিছু জায়গায় বলেছি, আপনাদের সাংগঠনিক যত কাজ, সবগুলো কাজ দেশের মানুষের কাছে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শো করুন। ছাত্রশিবির যে কাজ করেছে, তাও শো করুন।’
সমালোচকদের উদ্দেশে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এরপরও তারা মেনে নেবে না। সব দায় আমাদের ওপর দিয়ে দেবে। মনে আছে, একটি সংবাদ সম্মেলনে বলছিল, শিবিরের ওপর দায় দিয়ে দাও।’
অনুষ্ঠানে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্লাস পাওয়া পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয় ছাত্রশিবির। শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা।
জেলা শিবির সভাপতি মুজাহিদ বিল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আবু আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মোহাম্মদ আজিজুল হক, সাবেক নায়েবে আমির মুসাদ্দেক ভূইয়া, সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানসহ শিবির নেতারা।
এসকে রাসেল/এসআর/এএসএম


