September 13, 2026

পাকিস্তানের লাল বলেরও কোচ হতে চান মাইক হেসন

0
og_1789310664_6aa6b6c8934e4.jpeg


এজবাস্টন টেস্টে হারার পর পাকিস্তানের লাল বলের কোচের দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মাইক হেসন। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের সাদা বলের কোচের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারার পর অন্তর্বর্তী কোচ হেসন জানান, পাকিস্তানের লাল বলের প্রতিভা তাকে আশাবাদী করছে।

তৃতীয় টেস্ট শেষ হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে এসেই এই আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। মাইক হেসন বলেন, ‘অবশ্যই, আমি এ দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। আমি টেস্ট ক্রিকেট ভালোবাসি। পাকিস্তানের ক্রিকেট ব্যবস্থায় যথেষ্ট প্রতিভা রয়েছে। সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারলে আমরা সামনে এগোতে পারি। অবশ্যই এক-দুই ম্যাচে এর ফল পাওয়া যাবে না। তবে এমন কিছু দক্ষ ক্রিকেটার আছে, যাদের দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি আমি অবশ্যই বিবেচনা করবো।’

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে হারার পর সরফরাজ আহমেদকে কোচের পদ থেকে বরখাস্ত করে পিসিবি। এরপরই লাল বলের কোচের অন্তর্বর্তী দায়িত্ব পান তিনি। সপ্তাহ দুয়েকের কম সময় আগে এই দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়। তখন হেসন জানিয়েছিলেন, তিনি কেবল অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করছেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পাকিস্তানের টেস্ট দলের স্থায়ী দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

টেস্ট দলের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগেই একই দায়িত্বের জন্য ইংল্যান্ডের সঙ্গে হেসনের যোগাযোগ হয়েছিল। ব্রেন্ডন ম্যাককালামের উত্তরসূরি খুঁজতে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছিল ইংল্যান্ড। তবে হেসনের ভাষ্য, সেই আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়েই থেমে যায়। শেষ পর্যন্ত স্টিফেন ফ্লেমিংকে দায়িত্ব দেয় ইংল্যান্ড। এর পর পাকিস্তানের হয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন হেসন।

আগ্রহ প্রকাশ করলেও পাকিস্তানের টেস্ট দলের দায়িত্ব তিনি নেবেন কি না, সেটি পুরোপুরি তার হাতে নেই। পিসিবি এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। হেসন বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি কোনো চাকরির প্রস্তাব নিয়ে ভাবিইনি। দেশে ফেরার এক সপ্তাহ পরই এশিয়ান গেমস আছে। সাদা বলের ক্রিকেটে আপাতত সেটিই আমার মূল মনোযোগ। সময়টা এলে টেস্ট দল নিয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা হবে। নির্বাচকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবো।’

ভবিষ্যতে কী হবে বা সেটি যাই হোক, এই সপ্তাহে নিজের নিয়ন্ত্রণাধীন পরিবেশে কিছু বিষয় নিয়ে সন্তুষ্ট হেসন। তিনি বলেন, ‘আমরা বার্মিংহামে পৌঁছানোর পর সবাই সামনে কী আছে, সেটি নিয়ে বেশ মনোযোগী ছিল। লর্ডসে যা ঘটেছিল, দলের কয়েকজন সম্ভবত আমার চেয়েও বেশি সময় ধরে সেটির মধ্য দিয়ে গেছে। আমার মনে হয়েছে, তারা বিষয়টি বেশ ভালোভাবেই সামলে নিয়েছে।’

পাকিস্তানের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ নভেম্বরে। ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের সিরিজে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে তারা।

আইএন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *